The 4 Ps Of Marketing Formula



আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা কিংবা ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তবে এই 4 Ps Of Marketing Formula টি আপনাকে জানতে হবে অন্যথায় আপনার পক্ষে একটি লাভজনক বিজনেজ মডেল কিংবা সঠিক মার্কেটিং প্লান তৈরী করা সম্ভব হবে না । এই 4 Ps Of Marketing Formula কে অন্য নামে বলা হয় Marketing Mix

চলুন আমরা দেখি এই 4 Ps Of Marketing Formula কিংবা Marketing Mix কিভাবে কাজ করে ।
Product
Price
Place
Promotion
PRODUCT: যখন প্রোডাক্ট মার্কেটে নিয়ে আসার চিন্তা করছেন তখন নিজেকে এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে হবে।

১। প্রোডাক্ট টি কাস্টমারের কোন প্র্যাব্লেমের সমাধান দিবে ?

২। কেন আমার প্রোডাক্ট টি মার্কেটে দরকার?

৩। একি টাইপের প্রোডাক্ট যদি অলরেডি মার্কেটে থেকে থাকে তবে কাস্টমার কেন ঔ প্রোডাক্ট না কিনে আপনার প্রোডাক্ট কিনবে?

এই প্রশ্নেরগুলোর যথাযথ উওর যদি আপনার কাছে থাকে,তবে নেক্সট স্টেপ হচ্ছে মার্কেট রিসার্চ,নিচের প্রতিটি ধাপ আমাদের স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করে মার্কেটিং রিসার্চ করতে হবে।

মার্কেট রিসার্চের পরে আমাদের দেখতে হবে Product Lifecycle

মানুষের যেমন জীবনচক্র থাকে তেমনি প্রোডাক্টের ও একটি জীবনচক্র রয়েছে যাকে বলা Product Lifecycle

The Introduction Phases: যখন কাস্টমারের কোন প্র্যাব্লেম সলভ করার জন্য প্রোডাক্টের জম্ম হয়, একটি প্রোডাক্টের একদম শুরুতে

  • কোম্পানীর প্রফিট খুবই কম হয়, বেশীরভাগই সময় লসে থাকে
  • মার্কেটিং খরচ অনেক বেশী হয়
  • শুরুতে অল্পকিছু কাস্টমার এই প্রোডাক্ট টি কেনার জন্য প্রস্তুত থাকে ।

The Growth Phases:  যখন একটি প্রোডাক্টIntroduction Phases থেকে আস্তে আস্তে Growth Phases আসা শুরু করে তখন,

  • কোম্পানি অনেক বেশী লাভ করা শুরু করে
  • মার্কেটিং খরচ ও অনেক কমে আসে
  • মার্কেট শেয়ার বৃদ্বি পায়

The Maturity Phase: Growth Phase থেকে প্রোডাক্ট যখন Maturity Phase আসা শুরু করে তখন ঔ কোম্পানি মার্কেটে লিডার হয়ে যায় Mouth Of Marketing মাধ্যমে পুরো কমিউনিটিতে গ্রাহকের আস্থা এবং বিশ্বাসের জায়গায় নাম্বার #১ প্রোডাক্ট পজিশনে চলে আসে

  • Highest Profit Revenue Generate
  • তারা তাদের প্রোডাক্টের কারণে মার্কেটে অন্য কোম্পানি থেকে আলাদা হয়ে যায়

The Decline Phase: একটি প্রোডাক্ট পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে পড়ার পরার পর আস্তে আস্তে ঔ প্রোডাক্টের চাহিদা কমে যেতে শুরু করে ঠিক তখননি আমাদের ঔ প্রোডাক্ট টি বন্ধ করে নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে আসতে হবে।

যদি আমরা মোবাইল কোম্পানিগুলোর দিকে থাকায়,

নতুন একটি মডেলের ফোন বাজারে নিয়ে আসার পর ঔ ফোনটি ম্যাচুরিটি স্টেজে আসার পর যখন Decline স্টেজে যায় তখন তারা বাজারে আরো একটি নতুন মডেলের ফোন নিয়ে আসে ।

এই হলো মূলত Product Life Cycle, প্রশ্ন হলো আপনি যেই প্রোডাক্ট টি মার্কেটে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন তা Product Life Cycle কোন স্টেইজে রয়েছে ?

এইছাড়া একটি প্রোডাক্ট মার্কেটে নিয়ে আসার আগে প্রোডাক্টের যেই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।

Brand – ব্যান্ডিং পজিশন কিভাবে দাঁড় করাবেন
Quality- প্রোডাক্টের কোয়ালিটি এবং কাস্টমার সেগমেন্ট
Look – প্রোডাক্ট প্রিমিয়াম লুক কোয়ালিটি কেমন হবে।
Size – প্রোডাক্টের সাইজ
Color – কোন কোন কালার হবে
Packaging – প্রোডাক্টের প্যাকিং কেমন হবে
Point Of Difference of Competitors – অন্য প্রোডাক্টের তুলনায় আমার প্রোডাক্ট আলাদা কেন

প্রোডাক্টের এই সবগুলো বিষয় পরিপূর্ণভাবে রিসার্চ করার মাধ্যমে মার্কেটে কোন ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে আসতে পারি তার একটি পরিপূর্ণ ধারণা পাবো । 

চলুন এইবার দেখি পরের স্টেপ…

Pricing:   একটি প্রোডাক্টের প্রাইজ নিধারর্ণ করার মূলমন্ত্র কিংবা প্রিন্সিপ্যাল হচ্ছে,
Cost: আপনার প্রোডাক্টটি তৈরী করার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে
Price: কাস্টমার কে আপনার কাছ থেকে প্রোডাক্টটি কেনার জন্য কত টাকা দিতে হচ্ছে .
Value: কাস্টমার যেই টাকা দিচ্ছে তার বিনিময়ে সেই কত ভেল্যু পাচ্ছে ?

এইছাড়া প্রোডাক্টের প্রাইজ নিধারর্ণের জন্য যেই পুপুলার প্রাইজিং স্ট্র্যাটেজি গুলো ব্যবহার হয়,

Skimming: যদি মার্কেটে আপনি ছাড়া আর কোন কম্পিটিটর না থাকে তবে আপনার প্রোডাক্টের মাধ্যমে কাস্টমার কত ভেল্যু পাচ্ছে তার উপর বেস করে আপনার মত প্রাইজ নিধারর্ণ করতে পারেন।

Penetration: যদি মার্কেটে প্রচুর কম্পিটিটর থাকে তবে কম্পিটিটরের প্রাইজ উপর নির্ভর করে প্রোডাক্টের প্রাইজ নিধারর্ণ করতে হবে।

Cost Plus Pricing: প্রোডাক্ট প্রস্তুতের মোট খরচের একটি শতকরা হারকে লাভ হিসেবে প্রোডাক্টের ব্যয়ভারের সাথে যোগ করা হয়।

এইছাড়া আপনি Pricing Strategy নিয়ে আরো বিস্তারিতভাবে জানতে চাইলে যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফ্রি প্রোগ্রামঃ Freedom Business Foundation Program

Location:  একটি প্রোডাক্ট কাস্টমারের কাছে পৌছানোর জন্য যেই তিনটি মূল প্রিন্সিপ্যাল আমাদের মেনে চলতে হবে।

Deliver a Product Customers Want: কাস্টমার যেই প্রোডাক্ট টি চাচ্ছে তাকে সেই প্রোডাক্ট টি ডেলিভারি করা,

Location: কাস্টমার যেই এরিয়ায় প্রোডাক্ট টি চাই সেই এরিয়ায় পাওয়ার ব্যবস্থা করা ।

Time: কাস্টমার যেই টাইমে প্রোডাক্ট টি চায় সেই সময়ে পাওয়ার ব্যবস্থা করা ।

ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল কিভাবে কাজ করে নিচের চিত্রটি দেখলে আশা করি বুঝতে পারবেন,

আপনার প্রোডাক্ট টি কাস্টমারের কাছে পৌছানোর জন্য কোন ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল টি আপ্লাই করতে পারেন সেইটি নির্ভর করে আপনার বিজনেস মডেলের উপর

Promotion: আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপণ শুরু আগে একটি পারফেক্ট ক্যাম্পেইন তৈরী জন্য আপনাকে এই পাঁচটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

ফাইনালি আমরা এই 4 Ps of Marketing Formula আমাদের বিজনেস আপ্লাই করে আমাদের বিজনেস জন্য পারফেক্ট মার্কেটিং প্ল্যান তৈরী করতে পারি এবং সাকসেসফুল একটি বিজনেস দাঁড় করতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.